




























পিনাট বাটার ওজন বাড়াতে এবং কমাতে—দুই ক্ষেত্রেই সাহায্য করতে পারে। এটি নির্ভর করে আপনি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন এবং কোন ধরনের ডায়েট অনুসরণ করছেন তার ওপর। প্রতিদিন ২-৩ চামচ খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
পিনাট বাটার পাউরুটির উপর স্প্রেড করে খাওয়া যায়। এছাড়াও সালাদ, ফল, কেক, বিস্কুট, টোস্ট, স্মুদি, স্যান্ডউইচ ইত্যাদির সাথে খাওয়া যায়। পিনাট বাটার দিয়ে ঠান্ডা মিল্কশেকও তৈরি করা যায়, যা অত্যন্ত সুস্বাদু।
আমাদের পিনাট বাটারে কোনো প্রিজারভেটিভ বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না, কারণ আমরা পণ্যকে একদম প্রাকৃতিক রাখার চেষ্টা করি। সাধারণ তাপমাত্রায় এটি ৪ মাস এবং ফ্রিজে রাখলে ৬ মাসেরও বেশি সময় ভালো থাকবে।
আমাদের পণ্য হাতে পেয়ে ডেলিভারি ম্যানের সামনে দাঁড়িয়ে টেস্ট করে খেতে পারেন। যদি ভালো লাগে, তাহলে পেমেন্ট করুন; না হলে ফেরত দিয়ে দিন। ইনশাআল্লাহ, এর স্বাদ ও মান আপনাকে মুগ্ধ করবে।
তারপরও যদি কোনো দ্বিধা থাকে, তাহলে নিচে দেওয়া আমাদের কমিউনিটি গ্রুপের লিংকে জয়েন করুন এবং হাজার হাজার সম্মানিত গ্রাহকের মতামত দেখে সিদ্ধান্ত নিন।




















পিনাট বাটার ওজন বাড়াতে এবং কমাতে—দুই ক্ষেত্রেই সাহায্য করতে পারে। এটি নির্ভর করে আপনি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন এবং কোন ধরনের ডায়েট অনুসরণ করছেন তার ওপর। প্রতিদিন ২-৩ চামচ খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তবে অতিরিক্ত খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
পিনাট বাটার পাউরুটির উপর স্প্রেড করে খাওয়া যায়। এছাড়াও সালাদ, ফল, কেক, বিস্কুট, টোস্ট, স্মুদি, স্যান্ডউইচ ইত্যাদির সাথে খাওয়া যায়। পিনাট বাটার দিয়ে ঠান্ডা মিল্কশেকও তৈরি করা যায়, যা অত্যন্ত সুস্বাদু।
আমাদের পিনাট বাটারে কোনো প্রিজারভেটিভ বা কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না, কারণ আমরা পণ্যকে একদম প্রাকৃতিক রাখার চেষ্টা করি। সাধারণ তাপমাত্রায় এটি ৪ মাস এবং ফ্রিজে রাখলে ৬ মাসেরও বেশি সময় ভালো থাকবে।
আমাদের পণ্য হাতে পেয়ে ডেলিভারি ম্যানের সামনে দাঁড়িয়ে টেস্ট করে খেতে পারেন। যদি ভালো লাগে, তাহলে পেমেন্ট করুন; না হলে ফেরত দিয়ে দিন। ইনশাআল্লাহ, এর স্বাদ ও মান আপনাকে মুগ্ধ করবে।
তারপরও যদি কোনো দ্বিধা থাকে, তাহলে নিচে দেওয়া আমাদের কমিউনিটি গ্রুপের লিংকে জয়েন করুন এবং হাজার হাজার সম্মানিত গ্রাহকের মতামত দেখে সিদ্ধান্ত নিন।